Showing posts with label GAGET. Show all posts
Showing posts with label GAGET. Show all posts

Saturday, February 16, 2013

হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ ও স্বাগতম সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ সম্পর্খে বিস্তারিত

টেবলেট কম্পি্উটার আর মোবাইলের ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে ডেস্কটপ কম্পিউটারের উপরে নির্ভরশিলতা কমেছে। আর সেই সাথে কমছে ডেস্কটপ কম্পিউটারের চাহিদা। একই সাথে কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের যায়গাটি দখল করে নিয়েছে সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ। বর্তমানে নোটবুক, ল্যাপটপ এমন কি ডেস্কটপ এবং সারভারেও সলিড স্ট্যাট ড্রাইভের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষনের ব্যবস্থা চালু হয়ে গেছে। কম ওজনের বহনযোগ্য যে কোন কম্পিউটারের জন্যই সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ (SSD) গ্রহণ যোগ্য। iSuppli তথ্যমতে বিগত বছরের তুলনায় এ বছর ১১ ভাগ কম আয় হয়েছে হার্ড ড্রাইভ বিক্রি থেকে। এবং উল্লেখযোগ্য পরিমানে ডেস্কটপ কম্পিউটার বিক্রি কমেছে। ধারণা করা হয়েছে এর পরের বছরেও কমতে থাকবে।

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ (SSD) কি?

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ কে অনেক সময় সলিড স্ট্যাট ডিস্ক বা ইলেক্ট্রিক্যাল ডিস্কও বলা হয়ে থাকে। তবে এটিতে হার্ডড্রাইভের মতো কোন ডিস্ক থাকে না বা কোন ম্যাকানিক্যাল যন্ত্রও থাকে না। এটিতে অনেক সংখ্যক ইলেক্ট্রিকেল সারকিট (IC) একত্রিতভাবে চীপ আকারে থাকে যাতে তথ্যগুলো সঞ্চয় করা হয়। হার্ড ড্রাইভ বা ফ্লপি ড্রাইভে মূলতঃ একটি ম্যাগনেটিক ডিস্ক ঘোরে এবং ম্যকানিক্যাল হেড-এর মাধ্যমে ডিস্কে তথ্য সঞ্চয় হয়। আর তাই এসএসডি হার্ডড্রাইভের চেয়ে দ্রুত তথ্য প্রদানে সক্ষম। এসএসডির দামও হার্ডড্রাইভের প্রায় দশগুণ বেশি।

টেকনোলজী

এসএসডি তৈরীর প্রথম দিকে ডিরেম দিয়ে বানানো হতো এবং এটিতে আলাদাভাবে বিদ্যুত সরবরাহের ব্যবস্থা ছিল। বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন হলে তথ্যগুলো ফ্লাস মেমরীতে সংরক্ষিত হতো।
বর্তমানে বেশিভাগ প্রতিষ্ঠানই NAND ফ্লাস চীপ দিয়ে SSD তৈরী করা হয়। এই ফ্লাস চীপগুলো এসএসডিতে প্যারালাল সংযোযিত থাকে।
বর্তমানে বেশিভাগ প্রতিষ্ঠানই NAND ফ্লাস চীপ দিয়ে SSD তৈরী করা হয়। এই ফ্লাস চীপগুলো এসএসডিতে প্যারালাল সংযোযিত থাকে।

হার্ড ডিস্ক ও সলিড স্ট্যাট ডিস্কের মধ্যে পার্থক্য

১. চালু হওয়া

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ মিলি সেকেন্ডে চালু হয়ে কাজের উপযোগি হয়ে যায়। সলিড স্ট্যাট ড্রাইভের ইলেক্ট্রিক চীপে পাওয়ার পাওয়া মাত্র সচল হয়। হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলে এর ডিস্কগুলো ঘোরা শুরু করে, হেডটি নির্দিষ্ট স্থানে যায় ইত্যাদি কারনে কয়েক সেকেন্ড সময় লেগে যায়।

২. রেনডম একসেস টাইম

যে কোন তথ্য সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ থেকে সরাসরি পাওয়া যায়। এবং এতে কয়েক মাইক্র সেকেন্ড সময় লাগে। হার্ডডিস্কের তথ্যগুলো ডিস্কের নির্দিষ্ট স্থান থেকে নেওয়া এবং তা র‌্যাম এ পাঠানোতে ৩ থেকে ১২ মিলি সেকেন্ড সময় লেগে যায়।

৩. ডাটা ট্রান্সফার রেট

SSD তে একটা প্রতি সেকেন্ডে (এসএসডির ধরন অনুসারে) ১০০ থেকে ৬০০ মেগাবাইট প্রর্যন্ত ডাটা ট্রান্সফার করা যায়। এটিতে একটি নির্দিষ্ট ডাটা ট্রান্সফার সময় থাকে যা পরিবর্তন হয় না। হার্ড ড্রাইভে গড়ে ১৪০ মেগাবাইট/সেকেন্ড গতিতে ডাটা ট্রান্সফার হয়। আর এই গতি বিভিন্ন কারনে পরিবর্তিত হতে পারে। আপনার তথ্যগুলো ডিস্কের বিভিন্ন অংশে ছড়ানো (Fragmented) থাকলে বেশি সময় নিবে আবার একসাথে থাকলে কম সময় নিবে। এছাড়াও হার্ডডিস্কের ঘুর্ণন গতির উপরে ডাটা ট্রান্সফার রেট নিভর্র করে। ৪২০০ থেকে ১৫০০০ rpm (ঘুর্নণ প্রতি মিনিট) এর বিভিন্ন হার্ড ড্রাইভ পাওয়া যায়।

৪. শব্দ

SSD তে শব্দ হয় না কারন এটিতে কোন ম্যাকানিক্যাল যন্ত্র নাই। HDD তে হেড, একচুয়েটর, মটর ইত্যাদি ঘোরায় শব্দ বা ভাইব্রেশন হয়। কিছু কিছু সময় এটী খুব বিরক্তিকর আকার ধারন করে বিশেষ করে ডেস্কটপ এর ক্ষেত্রে।

৫. ম্যাগনেটিক ফিল্ড

HDD তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক আছে তাই ম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারনে তথ্য হারানো ও ডিস্ক নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে। SSD তে এরকম সমস্যা নাই কারন এতে ম্যাগনেটিক ডিস্ক নেই।

৬. লাইফ টাইম

হার্ড ডিস্ক SSD এর চেয়ে কম লাইভ টাইম। অনেক সময় ডিস্কে ব্যাড সেক্টর পরতে পারে, মটর জ্বলে যেতে পারে। এসএসডির চীপ নষ্ট হলে এটি নষ্ট হয়ে যায়।

৭. সাইজ ও ওজনঃ

বিভিন্ন ধরনের এবং সাইজের SSD রয়েছে। পণ্যের ধরন অনুসারে ১.৮ থেকে ৩.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত আছে। সেমিকন্ডাক্টর চীপ হওয়ায় ওজন অনেক কম। এইচডিডি ৩.৫ ইঞ্চি ডিস্কই দেখা যায়। আর ওজন ২০০ থেকে ৭০০গ্রাম পর্যন্ত হয়।

৮. দাম

সম পরিমান SSD মেমরীর দাম হার্ডড্রাইভের দামের প্রায় দশগুন।

 Apple এর নতুন Mac Book Pro, Mac Book Air, iMac এ আখন ব্যাবহার হচ্ছে  SSD। টেকনলজির সব পন্যের ই প্রাথমিক অবস্থায় দামের সমস্যা থাকে কিন্তু আস্তে আস্তে তা সহজলভ্য হয়ে যায়। HDD এর দিন শেষ হয়ে SSD এর শুভ সূচনা হক এই কামনায় আজকে এ পর্যন্তই।

Saturday, February 2, 2013

ব্ল্যাকবেরি 10 অবশেষে !

ব্ল্যাকবেরি কোম্পানী, পূর্বে নাম ছিল রিসার্চ ইন মোশন, প্রথম নিয়া এল BlackBerry প্ল্যাটফর্ম ১০ স্মার্ট ফোন।

নতুন ব্ল্যাকবেরি প্ল্যাটফর্ম তৈরী স্মার্ট ফোন হলো ব্ল্যাকবেরি Z10 এবং ব্ল্যাকবেরি Q10 । তাদের প্রথমটি পূর্ণ touchscreen ডিসপ্লে হিসাবে এবং দ্বিতীয়টি 3.1 ইঞ্চি AMOLED touchscreen (রেজোলিউশন - 720x720 পিক্সেলে) হিসাবে ডিজাইন করা হয় সাথে একটি কীবোর্ড আছে।


ব্ল্যাকবেরি নিউ ইয়র্ক, টরেন্টো, লন্ডন, প্যারিস, দুবাই এবং জোহানেসবার্গে একযোগে উপস্থাপিত হয়েছে।

স্মার্টফোন ব্ল্যাকবেরি Z10 এবং ব্ল্যাকবেরি Q10 এ আছে ব্ল্যাকবেরি 10 ডুয়াল কোর প্রসেসর Snapdragon S4 প্লাস নির্মিত, 1.5 GHz  স্পিড । আরো কনফিগারেশন হলো 2GB RAM ও 16 গিগাবাইট ফ্ল্যাশ মেমরি বিস্তারযোগ্য ৩২ পর্যন্ত, যা মাইক্রোএসডি মেমরি কার্ডের সাথে অন্তর্ভুক্ত. উভয় স্মার্টফোনের একটি মাইক্রো HDMI ভিডিও আউটপুট এবং NFC, ব্লুটুথ 4.0 এবং ওয়াই ফাই 802.11a/b/g/n আছে. ব্যাটারী হচ্ছে অপসারণযোগ্য. এই স্মার্টফোনে মাইক্রো সিম কার্ড ব্যবহার করা হযেছে।





স্মার্টফোনের ব্ল্যাকবেরি Z10 এর 1280 x 720 পিক্সেল (ইঞ্চি প্রতি 356 পিক্সেল) রেজোলিউশনে 4.2 ইঞ্চি স্ক্রীন আছে। প্রধান ক্যামেরার রেজোলিউশন ৮ মেগাপিক্সেল আর সামনের ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল। ব্ল্যাকবেরির মতে, 1800 mAh ব্যাটারী একবার চার্জ দিলে 10 ঘন্টার 3G নেটওয়ার্কের সাথে কথা বলার জন্য যথেষ্ট। সাইজ হল 130 x 66 x 9.3 মিমি এবং এটির ওজন 138gm। ব্ল্যাকবেরি 10 স্মার্টফোন কালো এবং সাদা দুরকম পাওয়া যাবে।
ইউ কে তে, ব্ল্যাকবেরি Z10 31 জানুয়ারী মুক্তি পায়। এটা কানাডা তে 5 ফেব্রুয়ারী মুক্তি পাবে, 10 ফেব্রুয়ারী UAE তে। মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে, এটি মার্চ মাসে প্রদর্শিত হবে। মূল্য অপারেটর সঙ্গে চুক্তি উপর নির্ভর করবে এর দাম। স্মার্টফোনের ব্ল্যাকবেরি Q10 এপ্রিল মাসে মুক্তি পাবে।

Friday, September 14, 2012

অবশেষে I Phone 5, বাজারে এলো ।

নানা জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বুধবার রাতে I Phone 5 বাজারে আনার ঘোষণা দিল অ্যাপেল।৭.৬ এম.এম. পাতলা এই মোবাইল ডিভাইস এর ওজন মাত্র ১১২ গ্রাম।অ্যালুমনিয়াম আর কাচের তৈরি এই মোবাইল আ রয়েছে ৪ ইঞ্চি ৩২৬ পিপিআই রেটিনা পর্দা যার রেজ্যুলেশন ১১৩৬x৬৪০ । ৮মেগাপিক্সেল বিশিষ্ট এই মোবাইলটি চলবে IOS 6 অপারেটিং সিস্টেম।এতে আর ব্যবহার করা হয়েছে A6 CHIP। এতে পাওয়া যাবে ৮ঘন্টা standby  টক টাইম।আইফন এর সাথে আরও পাওয়া যাবে নতুন ডিজাইন এর হেডফোন।

তবে খুব বর মাপের নতুনত্ব পাওয়া যায়নি I Phone 5 এ। স্যামসাঙ আর গালাক্সি এস২, এস৩ এবং গালাক্সি নোট এর সাথে পাল্লা দিয়ে I Phone 5 এখন কতটুকু গ্রাহক মন জয় করতে পারে এখন তাই দেখার বিসয়।


Saturday, August 18, 2012

অবশেসে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮ প্রসেসর-নির্ভর টাচ স্ক্রিন ট্যাবলেট এর ঘোষনা দিল।

অবশেসে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮ প্রসেসর-নির্ভর টাচ স্ক্রিন ট্যাবলেট এর ঘোষনা দিল।

‘সারফেস’ নামের উইন্ডোজ ৮ প্রসেসর-নির্ভর টাচ স্ক্রিন ট্যাবলেট তৈরির ঘোষণা দিল মাইক্রোসফট। এই ট্যাবলেটটি ইনটেল ও এআরএম দুই প্রসেসরই সমর্থন করবে। এ ছাড়া মাইক্রোসফট
অফিস, ফটোশপের মতো সফটওয়্যারগুলোও এই ট্যাবলেটে চালানো যাবে।
১৮ জুন লস অ্যাঞ্জেলসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘সারফেস’ ট্যাবলেটটির ঘোষণা দিয়েছেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিভ বলমার। জানিয়েছে বিবিসি ।
স্টিভ বলমার জানিয়েছেন, ১০.৬ ইঞ্চি মাপের ম্যাগনেশিয়ামের তৈরি ‘সারফেস’ ট্যাবলেটের সঙ্গে থাকছে কিকস্ট্যান্ড বা বিল্ট ইন স্ট্যান্ড, যা ট্যাবলেটটিকে ল্যাপটপের মতো ব্যবহারের সুবিধা দেবে। ৯.৩ মিলিমিটার পুরুত্বের ট্যাবলেটটি উইন্ডোজ আরটি সংস্করণে চলবে। এর ওজন ১.৩ পাউন্ড। পাশাপাশি সারফেস ট্যাবলেটে থাকছে গোরিলা গ্লাস২ যুক্ত এইচডি ডিসপ্লে, ওয়াই-ফাই, মাল্টি টাচ কিবোর্ড ট্র্যাক প্যাড, এইচডিএমআই, মাইক্রো এসডি, ইউএসবি ২.০ ও ৩২ অথবা ৬৪ গিগাবাইট স্টোরেজ বা তথ্য সংরক্ষণ সুবিধা।
বলমার জানিয়েছেন, উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গেই ‘সারফেস’ ট্যাবলেটটি বাজারে ছাড়া হবে। এর দাম এআরএম-নির্ভর অন্যান্য ট্যাবলেটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণই হবে। অর্থাত্ সারফেসের দাম হাতের নাগালেই থাকবে।
এআরএম-নির্ভর ট্যাবলেট ছাড়া ইনটেল-চালিত সারফেস ট্যাবলেটের আরও একটি সংস্করণ বাজারে ছাড়ার কথা জানিয়েছে মাইক্রোসফট। সংস্করণটি হবে উইন্ডোজ ৮ প্রো-নির্ভর।। এআরএম-ভিত্তিক ট্যাবলেটের চেয়ে আকারে একটু বড়ই হবে এটি। ট্যাবলেটটিতে থাকবে ৪২ডব্লিউ-এইচ ব্যাটারি, কোর আই ফাইভ আইভি ব্রিজ প্রসেসর, ইউএসবি ৩.০ পোর্ট এবং ৬৪ অথবা ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজ-সুবিধা। এ ছাড়া এর ১০.৬ মাপের স্ক্রিনে থাকবে ১০৮০ পিক্সেল রেজুলেশন।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রযুক্তি পণ্যনির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ট্যাবলেট কম্পিউটার নিয়ে মেতে আছে। বর্তমান সময়টাকে প্রযুক্তি ট্যাবলেট কম্পিউটারের যুগ হিসেবেই উল্লেখ করছেন তাঁরা। অথচ এই ট্যাবলেট যুগে মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না! বিষয়টিকে আর সেভাবে ভাবার কোনো অবকাশ থাকছে না। বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, সারফেস ট্যাবলেটটি অ্যাপলের আইপ্যাড ‘ঘাতক’ হিসেবে বাজারে আসবে।
এর আগে ২০১০ সালের আগে ‘কুরিয়ার’ নামে ডুয়াল টাচ স্ক্রিন ও ভাঁজ করা যায়—এমন হাইব্রিড ট্যাবলেট তৈরির কাজ শুরু করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু আইপ্যাড বাজারে আসায় কুরিয়ার প্রকল্প বন্ধ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এবার সারফেস ট্যাবলেটের মাধ্যমে বাজারে প্রবেশ করল মাইক্রোসফট।
বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, বাজারে অ্যাপলের আইপ্যাড ও অ্যান্ড্রয়েড-নির্ভর বিভিন্ন ট্যাবলেটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে মাইক্রোসফটের সারফেস ট্যাবলেটকে।